১লা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২৩শে এপ্রিল নারী উদ্যোক্তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ ব্যবহার বিষয়ক প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক : পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশে নারী উদ্যোক্তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের ব্যবহার নিয়ে এক প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদফতরের (ডিপিডিটি) মহাপরিচালক মো. মুনিম হাসান।

শিল্প মন্ত্রণালয়, পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদফতর (ডিপিডিটি) এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি অর্গানাইজেশন (ডব্লিউআইপিও)।

অনুষ্ঠানটির সকালের সেশনের শুরুতেই প্রকল্পের সাফল্য নিয়ে একটি ভিডিওচিত্র পরিবেশন করা হয়। এরপর প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক আলেকজান্দ্রা ভট্টাচার্য, ডব্লিউআইপিও ইন্টারন্যাশনাল কনসালটেন্ট রূপা গাঙ্গুলি, ডব্লিউআইপিও’র ন্যাশনাল কনসালটেন্ট মহুয়া জহুর, এবং ন্যাশনাল কনসালটেন্ট মোহাম্মদ আতাউল করিম।

এরপর ‘বাংলাদেশে নারী উদ্যোক্তা ও আইপি: চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সেলিমা আহমেদ, ওরাকল বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর রুবাবা দৌলা এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শারমিন আক্তার।

সেলিমা আহমেদ বাংলাদেশে নারী উদ্যোক্তাদের পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে গত ১০ বছরে নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা দ্বিগুণ বাড়লেও উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে অন্তত ২৫ শতাংশ হওয়া উচিত বলে মনে করি। তার মতে, উন্নত দেশের তুলনায় নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা এখনও অনেক কম, কম কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি নারী উদ্যোক্তাদের এই কম অন্তর্ভুক্তি অবদান রেখেছে। এছাড়া নারী উদ্যোক্তাদের সম্পূর্ণ সরকারি রিসোর্স ব্যবহার করা হয় না। প্রোঅ্যাকটিভ ও স্ট্র্যাটেজিক অ্যাপ্রোচ নারী উদ্যোক্তাদের গুণগত অন্তর্ভুক্তিকে বাড়িয়ে তুলবে বলেও মনে করেন তিনি।

রুবাবা দৌলা মনে করেন, এসডিজি, ইজি, ডেভেলপমেন্টের ব্যাকগ্রাউন্ডে বিজনেস স্ট্র্যাটেজি থাকা খুবই সময়োপযোগী। উদ্ভাবন হিসাবে সরঞ্জাম, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে, জ্ঞানের ব্যবধান হ্রাস করতে হবে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে, পণ্য প্রচারের জন্য আইপি কৌশলগত পদ্ধতির ব্যবহার প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় পণ্যের গতি বাড়ানো, নারী উদ্যোক্তাদের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরাও উচিত বলে মনে করেন তিনি।

ব্যারিস্টার শারমিন আক্তার মনে করেন, এসএমই পলিসি নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তা করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। নারীদের মধ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণ ও জ্ঞান বিতরণ এবং ট্রেড বডিগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিও খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় ভাগে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সনদ বিতরণ করা হয়। প্রধান অতিথি মো. মুনিম হাসান তাদের হাতে সনদ তুলে দেন।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (বহুপাক্ষিক অর্থনৈতিক বিষয়াবলী) ফাইয়াজ মুরশিদ কাজী।

সম্পর্কিত খবর

সর্বাধিক পঠিত

আবাসন খাতকে পরিকল্পিত, টেকসই ও দুর্নীতিমুক্ত করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আবাসন খাতকে পরিকল্পিত, টেকসই ও দুর্নীতিমুক্ত করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

দেশের আবাসন শিল্পকে জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ...