১লা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নারীর যে ৫ গুণের কথা কোরআনে বর্ণিত হয়েছে

পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে নারীর গুণ। ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ নারীদের নামে স্বতন্ত্র সুরা নাজিল করেছেন। পবিত্র কোরআনের চতুর্থ সুরার নাম সুরা নিসা। নিসা আরবি শব্দ। এর অর্থ স্ত্রী জাতি। এই সুরায় ২৪ রুকু, ১৭৬ আয়াত।

মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে নারীদের বিভিন্ন গুণের কথা উল্লেখ করেছেন। নিচে পবিত্র কোরআনে বর্ণিত নারীর ৫টি গুণের কথা তুলে ধরা হলো।

চারিত্রিক পবিত্রতা

সব ধরনের অনৈতিকতা ও অমার্জিত আচার-আচরণ থেকে বেঁচে; নারী চারিত্রিক পবিত্রতা রক্ষা করবে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘মুমিন নারীকে বলুন, তারা যেন দৃষ্টি অবনত রাখে এবং লজ্জাস্থান হেফাজত করে।’ (সুরা নুর, আয়াত: ৩১)

 লজ্জা ও শালীনতালজ্জা ও শালীনতা মানুষের ব্যক্তিত্বের মূল ভিত্তি। নারীর ক্ষেত্রে তা অনন্য ভূষণ। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ একজন নারীর শালীন আচরণের প্রশংসা করে বলেন, ‘তখন নারীদ্বয়ের একজন লজ্জাজড়িত পায়ে তার কাছে এলো।’ (সুরা কাসাস, আয়াত: ২৫)
 স্বামীর আনুগত্য ও আত্মত্যাগইসলামি শরিয়তে পারিবারিক শৃঙ্খলা রক্ষায় স্ত্রীকে স্বামীর আনুগত্য করতে এবং সুখে-দুঃখে তার পাশে থেকে সাহস জোগাতে বলেছে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ আইয়ুব (আ.)-এর স্ত্রীর প্রশংসা করেছেন; যিনি চরম অসুস্থতা ও দরিদ্রতার মধ্যেও স্বামীর পাশে ছিলেন এবং অসামান্য ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।
 
মহান আল্লাহ বলেন, ‘স্মরণ করো, আমার বান্দা আইয়ুবকে, যখন সে তার প্রতিপালককে আহ্বান করে বলেছিল, শয়তান আমাকে যন্ত্রণা ও কষ্টে ফেলেছে। আমি তাকে বললাম, তুমি তোমার পা দিয়ে ভূমিতে আঘাত করো। এই তো গোসলের সুশীতল পানি ও পানীয়। আমি তাকে দান করেছিলাম তার পরিজনবর্গ ও তাদের মতো আরও, আমার অনুগ্রহস্বরূপ এবং বোধসম্পন্ন মানুষের জন্য উপদেশস্বরূপ।’ (সুরা সাদ, আয়াত: ৪১-৪৩)

মার্জিত ভাষা

মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে নারীদের মার্জিত ভাষা ব্যবহার করতে বলেছেন। যা অস্পষ্টতা, জড়তা ও পাপের ইঙ্গিতবহ হবে না। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা ন্যায়সংগতভাবে কথা বলো।’ (সুরা আহজাব, আয়াত: ৩২)

 
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) এ আয়াতে ব্যবহৃত ‘কাওলাম-মারুফা’-এর ব্যাখ্যায় বলেছেন, ‘নারীরা অনুচ্চ ভাষায় এমনভাবে কথা বলবে, যা শরিয়ত নিষেধ করেনি এবং মানুষের কাছেও তা শুনতে খারাপ মনে হয় না।’ (তাফসিরে কুরতুবি)
 

দীন পালনে পুরুষের সহযোগী

দীন পালন এবং সমাজে দীন প্রচার ও প্রতিষ্ঠায় পুরুষের সহযোগী নারী। প্রত্যেক নারী ও পুরুষ নিজ নিজ জায়গা থেকে পরস্পরকে দীনের ব্যাপারে সহযোগিতা করবে।

মহান আল্লাহ বলেন, ‘মুমিন পুরুষ ও নারী পরস্পরের বন্ধু। তারা সৎকাজে আদেশ করে, অসৎ কাজে নিষেধ করে, তারা নামাজ কায়েম করে, জাকাত প্রদান করে এবং আল্লাহ ও তার রসুলের আনুগত্য করে। আল্লাহ তাদের প্রতি অনুগ্রহ করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।’ (সুরা তওবা, আয়াত: ৭১)

সম্পর্কিত খবর

সর্বাধিক পঠিত

রিহ্যাব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এমপি মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর সৌজন্য সাক্ষাৎ, আবাসন খাতের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা
বসুন্ধরায় নেক্স রিয়েল এস্টেট-এর প্রিমিয়াম লাক্সারি আবাসন প্রকল্পে নতুন বিনিয়োগ ও লাইফস্টাইলের সুযোগ